ইউরোপে ‘মুদ্রণ বিপ্লবে’র পটভূমি আলোচনা করো ইউরোপে মুদ্রণ বিপ্লবের পটভূমি বা কারণ পঞ্চদশ শতকের মাঝামাঝি থেকে ইউরোপে মুদ্রণযন্ত্রের সাহায্যে বই ছাপার কাজ শুরু হয়। জোহানেস গুটেনবার্গ ১৪৫৪ খ্রিস্টাব্দে চলনশীল ধাতু নির্মিত অক্ষরের মাধ্যমে আধুনিক মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কার করলে ইউরোপে মুদ্রণ বিপ্লবের সূচনা হয়। মুদ্রণ বিপ্লবের কারণ বা পাটভূমি : ইউরোপে মুদ্রণ বিপ্লবের পটভূমি বা কারণ হিসেবে কয়েকটি বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কাগজ তৈরীর কৌশল : চিনারা প্রথম কাগজ তৈরীর কৌশল আয়ত্ত করে। আরবীয় প্রযুক্তিবিদদের মাধ্যমে স্পেন হয়েতা ইউরোপে পৌঁছালে মুদ্রণ বিপ্লবের পথ প্রশস্থ হয়। কাগজের সহজলভ্যতা : আরবদের দ্বারা ট্রিপ হ্যামার আবিষ্কার ও তার ব্যবহারের ফলে উন্নতমানের কাগজ তৈরীর কৌশল আয়ত্তে আসে। এই কৌশলও আরবদের মাধ্যমে ১১৫০ সালে স্পেন হয়ে ইউরোপে প্রবেশ করে। ফলে কাগজ সহজলভ্য হয়ে ওঠে। উন্নত মুদ্রাণযন্ত্রের আবিষ্কার : গুটেনবার্গ জার্মানির মেইন শহরে চলনশীল ধাতু নির্মিত অক্ষর আবিষ্কার ও তার ব্যবহার করে উন্নত মানের মুদ্রণ যন্ত্র আবিষ্কার করলে মুদ্রণ বিপ্লবের পথ ত্বরান্বিত হয়। ধাতু শিল্পের অগ্রগত...
কাকে, কেন ‘আধুনিক মুদ্রণযন্ত্রের জনক’ বলা হয়? কাকে, কেন ‘আধুনিক মুদ্রণ যন্ত্রের জনক’ বলা হয়? জার্মানির মেইন্জ শহরের অধিবাসী জোহানেস গুটেনবার্গ, যিনি প্রথম জীবনে একজন স্বর্ণকার ছিলেন, ‘আধুনিক মুদ্রণযন্ত্রের জনক ’ নামে পরিচিত। গুটেনবার্গ অনেক বছর ধরে মুদ্রণশিল্পের উন্নতির জন্য চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। এই চেষ্টার সূত্র ধরেই ১৪৩৯ সালে তিনি মুদ্রণযন্ত্রে ধাতব অক্ষরের ব্যবহার শুরু করেন। তৈলাক্ত কালী ও কাঠের মুদ্রণ প্রেস ব্যবহার করে তিনি এই মুদ্রণের কাজ চালাচ্ছিলেন। ১৪৪৮ সালে এসে বিভিন্ন প্রযুক্তির সমন্বয়ে একটি আধুনিক মুদ্রণযন্ত্র তৈরি করেন। এই যন্ত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল, চলমান ধাতু নির্মিত অক্ষরের ব্যবহার । এভাবে দীর্ঘদিন চেষ্টা করার পর ১৪৫৪ সালে চলমান ধাতব অক্ষর ব্যবহার করে আধুনিক মানের মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কার করেন। আর এ কারণেই তাঁকে ‘ আধুনিক মুদ্রণযন্ত্রের জনক’ বলা হয়। মনে রাখা দরকার, তাঁর এই যুগান্তকারী অবদানের জন্য ১৯৯৭ সালের ‘ টাইম লাইফ’ ম্যাগাজিন তাঁর এই আবিষ্কারকে ‘ দ্বিতীয় সহস্রাবদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার’ বলে উল্লেখ করেছেন। -----------xx----------- এই প্রশ্ন...